লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্ক – জামালপুর

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্ক বেল্লাটিয়া শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি মনোমুগ্ধকর রিসর্ট। পার্কটি ২০১৬ সালে প্রায় ১০ হেক্টর জমির উপর নির্মিত হয়েছিল। এটি রাশিয়ার মস্কো প্রবাসী আতিকুর রহমান লুইসের লুইস ভিলেজ রিসোর্ট এবং পার্ক বেল্লাটিয়া শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি মনোমুগ্ধকর রিসর্ট। এটি রাশিয়ার মস্কো প্রবাসী আতিকুর রহমান এর ভ্রমন পিয়াসি উচ্চমান সম্পন্ন রুচিবোধ এবং পরিবেশ বান্ধব ধারণা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এই পার্কটি বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যতম আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। গ্রামীণ পরিবেশের মাঝখানে গড়ে ওঠা এই পার্কে বিরাজ করছে শান্তিপূর্ণ সবুজ পরিবেশ।

বিনোদনের এই জেলাটি ইতিমধ্যে জামালপুর ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্কে মোট ১৪টি আকর্ষণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাম্পার কার, মিনি ট্রেন, ফ্যামিলি ট্রেন, মেরি-গো-রাউন্ড, ওয়ান্ডার হুইল, রকিং চেয়ার, কফি কাপ এবং বিনোদনের জন্য পুকুরের বৈদ্যুতিক নৌকা এবং প্যাডেল বোট। চীন ও দেশে তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই আকর্ষণগুলো নারী ও শিশুসহ সবার জন্য অতিরিক্ত বিনোদন হিসেবে কাজ করে।

এছাড়াও পার্কে রয়েছে খাবারের জন্য ভালো ও পরিচ্ছন্ন রেস্তোরাঁ, ফাস্ট ফুডের সুবিধা, রাত্রি যাপন বা বিশ্রামের জন্য রেস্ট হোম/রিসোর্ট, কর্পোরেট অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কনফারেন্স সেন্টার। তাছাড়া পার্কে রয়েছে শিশুদের খেলনা ও জামালপুরের বিখ্যাত হস্তশিল্পের দোকান।

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্কে প্রবেশ ফি মাত্র একশ টাকা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

 

কীভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে জামালপুর যাওয়া যায়। রেলপথ রাস্তার চেয়ে বেশি আরামদায়ক এবং সুবিধাজনক। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে জামালপুর যাওয়া যায়।

কোথায় অবস্থান করবেন:

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্কে থাকার জন্য আধুনিক সুবিধা সহ বেশ কয়েকটি কটেজ রয়েছে। এ ছাড়া জামালপুর সদরের আবাসিক হোটেলগুলোতেও থাকতে পারেন। জামালপুরের ভালো মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে এবং পরিবেশ বান্ধব ধারণা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

যোগাযোগ – 01712-012848

এই বিষয়ে আরও তথ্য  জানতে  চাইলে এই লিংকে দেখতে পারেন।

আপনি যদি ভ্রমণ পিপাসু হয়ে থাকেন তাহলে আধুনিক স্থাপত্য, ঐতিহাসিক স্থান, নদী ও সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ি অঞ্চল, বাগান ও বনাঞ্চল, বিনোদন কেন্দ্র ইত্যাদি ভ্রমণ স্থানগুলো নিচের লিংক হতে পাবেন।

আপনি সিলেট বিভাগ ভ্রমণ স্থানগুলো দেখতে পারেন।

Leave a Comment