গলাকাটা মসজিদ- ঝিনাইদহ

গলাকাটা মসজিদ বারোবাজার-তাহেরপুর সড়কের পাশে অবস্থিত। মূল বর্গাকার মসজিদটি চারটি ষড়ভুজাকার পুরু স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে এবং প্রতিটি দিক ২৫ ফুট লম্বা এবং দেয়াল ৫ ফুট চওড়া। এতে ৩টি প্রবেশপথ রয়েছে। মসজিদের পূর্ব দিকে ছিল একটি পাকা প্রাঙ্গণ। অভ্যন্তরে পশ্চিম দেয়ালে পোড়ামাটির কারুকাজ, ঘণ্টা, ফুল, পাতা,  শিকল ইত্যাদির নকশায় ৩টি মেহরাব রয়েছে। ছাদের স্তম্ভ হিসেবে ৮ ফুট উঁচু কালো পাথরের দুটি স্তম্ভ রয়েছে। স্তম্ভের সামনে এবং পিছনে মাঝারি ৬টি গম্বুজ রয়েছে। শাহ সুলতান মাহমুদ ইবনে হোসেনের শাসনামলে ৮০০ হিজরিতে আরবি-ফার্সিতে লেখা কিছু পাথর খননের সময় এগুলো পাওয়া যায়।

মসজিদের অনুরূপ গৌরের ধবীচক ও ঝনঝনিয়া মসজিদ, শৈলকুপার শাহী মসজিদ, ঢাকা রামপালে বাবা আদমের মসজিদ ও বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের।  ইসলামী স্থাপত্যের একটি সুন্দর নিদর্শন হিসেবে গালাকাটা মসজিদ বাংলাদেশের পুরাকীর্তিকে সমৃদ্ধ করেছে।

 

গলাকাটা মসজিদের পাশেই রয়েছে গলাকাটা দীঘি। জনশ্রুতি আছে যে এই দীঘিটি খান জাহান আলী (রহঃ) এর সমসাময়িক ছিল। বারো বিঘা জমির চার পাশ বিশিষ্ট এই লেকটি অবস্থিত। গলাকাটা মসজিদ এই হ্রদের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। লেকের পশ্চিম তীরে একটি ছোট নিচু পাহাড় রয়েছে।

কিভাবে যাবেন:

এই গলা মসজিদটি ঝিনাইদহ (ঝিনাইদহ জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার) থেকে বাস বা সিএনজিতে যাওয়া যায়।

Leave a Comment